পোস্টগুলি

Android device manager কাজ

দেশজুড়ে প্রতিনিয়ত বাড়ছে স্মার্টফোন ইউজারের সংখ্যা। স্মার্টফোনের ব্যবহার যেমন বেড়েছে ঠিক তেমনি বেড়েছে স্মার্টফোন চোরের সংখ্যাও। আপনার স্মার্টফোনটি নিশ্চয়ই আপনার কাছে অনেক প্রিয় এবং মূল্যবান। কিন্তু যখন আপনার স্মার্টফোনটি আপনি হারিয়ে ফেলেন বা চুরি হয়ে যায় তখন আপনার সমস্যা বা কষ্টের অন্ত থাকে না। কিন্তু আপনার ডিভাইসে যদি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার সার্ভিসটি চালু করা থাকে তাহলে আপনি আপনার হারানো ডিভাইসটি লক করে বা ডাটা মুছে দিয়ে ডিভাইসের ডাটা চোরের হাতে পড়া থেকে রক্ষা করতে পারেন। চলুন দেখি কিভাবে- device manager Device Manager দিয়ে আপনি যা যা করতে পারবেন- Ring- আপনার ডিভাইসটি পাঁচ মিনিটের জন্য ফুল ভলিউম এ রিং হবে। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে ডিভাইস যদি সাইলেন্ট করা থাকে তাহলে কি হবে?? এই প্রশ্নের উত্তর হল ডিভাইস সাইলেন্ট অথবা ভাইব্রেশনে দেয়া থাকলেও রিং হবে। Lock- আপনার ইচ্ছেমত একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনি ডিভাইসটি লক করতে পারবেন। Erase- এই অপশনের সাহায্যে আপনি আপনার ডিভাইসের সকল ডাটা মুছে ফেলতে পারবেন। অর্থাৎ ফ্যাক্টরি রিসেট করতে পারবেন। প্রথমেই আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে ...

mobile best os explain

Types of Mobile Operating Systems When you purchase a mobile device the manufacturer will have chosen the operating system for that specific device. Often, you will want to learn about the mobile operating system before you purchase a device to ensure compatibility and support for the mobile applications you want to use. 9 Popular Mobile Operating Systems 1. Android OS (Google Inc.) The Android mobile operating system is Google's open and free software stack that includes an operating system, middleware and also key applications for use on mobile devices, including smartphones. Updates for the open source Android mobile operating system have been developed under “dessert-inspired” codenames (Cupcake, Donut, Eclair, Gingerbread, Honeycomb, Ice Cream Sandwich) with each new version arriving in alphabetical order with new enhancements and improvements. 2. Bada (Samsung Electronics) Bada is a proprietary Samsung mobile OS that was first launched in 2010. The Samsung Wave was the...

camera normal important function

সাধারণ ক্যামকোডারের বেশিরভাগই অটোমেটিক সিস্টেমে কাজ করে। ক্যামেরা চালাতে গেলে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, ক্যামেরাটি অন করতে হবে এবং নির্দিষ্ট বস্তুকে কম্পোস করে ছবি তোলার বাটনে চাপ দিতে হবে। তবে অটোমেটিক ফাংশনের কিছু দুর্বলতাও আছে। আপনি যদি ক্যামেরার কাজে পারদর্শি হতে চান তাহলে, আপনাকে ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করতে জানতে হবে। মানে আপনাকে ম্যানুয়াল ফাংশন সম্পর্কে জানতে হবে। প্রফেশনাল ক্যামেরাম্যানরা সাধারণত অটো ফোকাস ও অটো আইরিশ অপশন ব্যবহার করে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অটো ক্যামেরা চালোনার ক্ষেত্রে যে প্রশ্নটি সামনে আসে তা হলো- কেন নয়? আমার অটো ফোকাসতো ভালই কাজ করে, আর এতে তোলা ছবিও ভালই দেখায়। এ প্রশ্নের দুটি উত্তর হতে পারে- ১. কখনোও কখনোও অটো ফোকাসে ভাল কাজ হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে উঠতে পারে না। যেমন- এমন কোন জায়গা যেখানে আলোর স্বল্পতা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে আপনি এমন ছবি পাবেন যা কোথাও ব্যবহারের জন্য পুরোপুরিই অযোগ্য হবে। তবে আপনি ম্যানুয়াল কন্ট্রোল ব্যবহার করলে সেই ছবিটি হবে অনেক বেশি পরিপূর্ণ। ২. আপনার ক্যামেরা এটি বুঝবে না যে আপনি আসলে কি ধরণের ছবি চ...

ppi structure

ছবি
হালো ! ইদানিং OTG,OTA,NFC নিয়ে একটু বেশী নাড়াচাড়া হচ্ছে । বিশেষত বেশী OTG সুবিধার হ্যান্ডসেট রিলিজ ও Walton এর ফোনগুলোতে OTA সুবিধা দেওয়ার কারনে । বয়ান ছাইরা কাজের কথায় আসি। আজ আপনাদের OTA,OTG ও NFC এর নিজস্ব প্রেম কাহিনী বলবো !! OTG & OTA সম্পর্কে তো অনেকেই জানেন । তাই অনেকের কাছে অজানা NFC এর কথাও বলবো । OTA & OTG তো দেশে এসে পরলো । NFC আসতেও দেরী নাই । OTG : otg মানে on the go । যেহেতু USB ব্যবহার করা হয় এতে তাই একে USB On The Go ও বলা যায় । OTG ফাংশন সম্বলিত ফোন ফোন যদি আপনার থাকে তাহলে আপনার লাইফ পুরাই হ্যাপি !! otg ব্যবহার করে ফোনের সাথে Keyboard, Mouse, Pendrive, Card Reader সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন । ফোনের ছোট কীবোর্ড ব্যবহার করতে ভালো লাগে না ?? Nothing to fear. OTG is here !! otg দ্বারা খুব সহজেই ফোনের সাথে কীবোর্ড বা মাউস ব্যাবহর করতে পারবেন । এছাড়াও স্টোরেজ নিয়ে সমস্যা অনেকেরই । কম স্টোরেজের কারনে বড় মুভি রাখতে পারেন না মোবাইল এ । তাই পেনড্রইভ এ মুভি রাখেন, usb দিয়ে পেনড্রাইভ মোবাইল এ কানেক্ট করেন & এনজয়য় !! তাই মূলত ষ্টোরেজ সমস্যার সমাধান করে OTG । আরেকটা কথ...

mobile dpi

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সবাই ভাল আছেন । আপনি আপনার প্রয়োজনে Computer এর Screen Resolution পরিবর্তন করেন কিন্তু আপনার Android/Tablet এর Screen Resolution পরিবর্তন করেন কি ? তবে ২ টির মধ্যে পার্থক্য আছে । Computer এর Resolution বাড়ালে text,icon,app etc. ছোট হয়ে যায় , কিন্তু Android/Tablet এর density বাড়ালে text,icon,app etc. বড় হয়ে যায় । Android/Tablet এর Screen Resolution এর জন্য density setting পরিবর্তন করা হয় । সহজ ভাবে বললে DPI (dots per inch) পরিবর্তন করা হয় । বিভিন্ন Android/Tablet এর ডিফল্ট DPI বিভিন্ন থাকে । যেমন- 120,240,320,480,...... আপনি যখন DPI কমিয়ে দিবেন তখন ফোনের text,icon,app,widget etc. ছোট হয়ে যাবে । আবার আপনি যখন DPI বাড়িয়ে দিবেন তখন ফোনের text,icon,app,widget etc.বড় দেখাবে। অনেক Android/Tablet ব্যবহারকারী Screen Resolution পরিবর্তন করতে পছন্দ করেন কারন এতে Screen performance বৃদ্ধি পায় । আবার High Resolution এর গেম খেলা , ভিডিও দেখা , home screen এ যথেষ্ট জায়গা বের করা ইত্যাদি সুবিধা পাওয়া যায় । DPI (dots per inch) কমিয়ে কত করবেন তা আমার বলা সম্ভব না । কারন এ...

what is vr

আজকে আমি ভার্চুয়াল রিয়ালিটি সম্পর্কে বিষদ আলোচনা করবো। কি এই ভার্চুয়াল রিয়ালিটি? ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হচ্ছে একধরনের কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক জগৎ যার সাথে বিশেষ কিছু ডিভাইসের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করা যায়। এইসব ডিভাইস সাধারণত অনুকরনবিদ্যা(simulation) প্রয়োগ করে কাজ করে থাকে। ভার্চুয়াল রেয়ালিটির সংজ্ঞাটা এইরকমঃ কি ওয়ার্ডঃ ভার্চুয়াল রিয়ালিটি বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যাবহার করে থাকে। যেমন হেডসেট, গ্লাভস ইত্যাদি। ভার্চুয়াল রেয়ালিটি ব্যাবহার করার সময় ব্যাবহারকারীর মনে হবে সে ঐ 3D জগতেই আছে। ভার্চুয়াল রিয়ালিটি গেম খেললে একদম বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। শুধু দেখা ও শোনার ক্ষেত্রেই না, ফোর্স ফীডব্যাক গ্লাভস পরে কৃত্রিম জগতের জিনিসপত্রও ধরা যায়। আবার অনেক ক্ষেত্রে ট্রেডমিলের মত ডিভাইস দ্বারা হাটাও সম্ভব! ভার্চুয়াল রেয়ালিটির ব্যপক ব্যাবহার লক্ষ করা যায়। বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাজে এর সুদূরপ্রসারী ফলদায়ী ব্যাবহার রয়েছে। যেমন গাড়ি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান। সেখানে কৃত্রিম ভাবে আসল গাড়ি বানানোর আগে ত্রিমাত্রিক গাড়ি বানানো হয়। তাও প্রতে্যকটা অংশ হাত দিয়ে পর্যবেক্ষন করা যায়। এতে গড়ির বাস্তব মডেল আগেই বানানোর প্রয়োজন পরেন...

mobile ppi by iphone

মানুষের চোখে (রেটিনায়) প্রতি ইঞ্চিতে পিক্সেলের ঘনত্ব (pixel density) কত? মনে করা হয় এই ঘনত্ব ৩০০ PPI (pixel per inch)। এই ৩০০ PPI দিয়েই আমরা একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে অসীম দূরত্ব পর্যন্ত স্পষ্ট দেখতে পারি। মানুষের চোখে যদি পিক্সেলের ঘনত্ব আরো বেশী থাকত তবে কি আরো দূরত্বের বস্তু আরো স্পষ্ট ভাবে দেখা যেত? উত্তর হলো "না"। যারা চোখের ভিশন কৌশল সম্পর্কে জানেন তারা ধরতে পারবেন স্পষ্ট দেখার ব্যাপারটা যতটা পিক্সেলের উপর নির্ভর করে কার চেয়ে বেশী নির্ভর করে রেটিনার সঠিক স্থানে আগত আলোর প্রতিফলন। চোখের সার্বিক ম্যাকানিজমের জন্য ৩০০ PPI হলো এপ্রোপিয়েট। [ এবার আসা যাক ডিসপ্লে বিষয়ে, বর্তমান ডিসপ্লে টেকনোলজির উন্নয়ন হচ্ছে প্রতি এককে পিক্সেলের ঘনত্ব দিয়ে। বিভিন্ন কোম্পানী প্রতিযোগীতা করছে কে কত কম এরিয়ায় বেশী সংখ্যক পিক্সেল ব্যবহার করে তাদের পন্য বাজারজাত করবে। এ ক্ষেত্রে আমি বলব এ্যপল সবচাইতে এগিয়ে আছে। এ্যপলের লেটেষ্ট পন্যের ডিসপ্লেতে তারা সংযোজন করছে রেটিনা ডিসপ্লে প্রযুক্তি। বর্তমানে রেটিনা ডিসপ্লে একটা ব্র্যণ্ড নেম বা মার্কেটিং টার্মে পরিনত হয়েছে যা সর্ব প্রথম এ্যপল ব্...

calculated ppi

বন্ধুরা   পিক্সেল।  নিয়ে তো জানলেন চলুন এবার আলোচনা করি পিপিআই মানে পিক্সেলস পার ইঞ্চি কি সে বিষয়ে। এবং চলুন সাথে জেনে নেওয়া যাক পিক্সেলস পার ইঞ্চি মাপা হয় কীভাবে তার সম্পর্কে। মনে করুন আপনার ফোনের স্ক্রীনের রেজুলেসন হলো ফুল এইচডি অর্থাৎ ১০৮০পি। ফুল এইচডি বা ১০৮০পি মানে হচ্ছে ১৯২০x১০৮০ পিক্সেলস। অর্থাৎ আপনার ফোনের স্ক্রীনে লম্বালম্বি ভাবে রয়েছে ১৯২০ পিক্সেলস এবং সমতল ভাবে রয়েছে ১০৮০ পিক্সেলস। এখন সব পিক্সেলস গুলোকে এক সাথে গুনলে পাওয়া যাবে ১৯২০x১০৮০= ২ মিলিয়ন পিক্সেলস প্রায়। এখন চলুন দেখি পিক্সেলস ডেনসিটি নিয়ে। এখন মনে করুন আপনার ফোনের স্ক্রীন সাইজ ৫.৫ ইঞ্চি। আপনি নিশ্চয় জানেন যে ইঞ্চি সবসময় কোনাকোনি ভাবে মাপা হয়ে থাকে। তাহলে আপনার ফোনের স্ক্রীন উপরের ডান কোনা থেকে নিচের বাম কোনা পর্যন্ত অথবা উপরের বাম কোনা থেকে নিচের ডান কোনা পর্যন্ত ৫.৫ ইঞ্চি হবে। এখন আপনার স্ক্রীনের কোনাকোনি বরাবর একটি রেখা কল্পনা করুন। তাহলে তৈরি হবে দুটি ত্রিভুজ। এখন আপনি স্কুলে তো নিশ্চয় প্যাথাগরাস সূত্র পড়েছেন যে কোন ত্রিভুজের যদি দুইটি দিকের পরিমাপ আপনার জানা থাকে তবে আরেকটি দিকের পরিমাপ সহজেই বেড় ক...

amoled display

'অ্যাকটিভ-ম্যাট্রিকস অরগানিক লাইট-ইমিটিং ডায়োড'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো অ্যামোলেড। এতে অর্গানিক বা জৈব পদার্থ ব্যবহার করা হয়। ২০১১ সাল থেকে ব্যবহার শুরু হওয়া এ পর্দায় অসাধারণ রং, হালকা ওজন এবং ব্যাটারির শক্তি সঞ্চয়সহ ওএলইডির অনেক গুণই রয়েছে। খুব দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া এ পর্দাটি উচ্চ দামের বিভিন্ন স্মার্টফোন, মিডিয়া প্লেয়ার, ক্যামেরা, বিশাল পর্দার টিভি তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। সুবিধা : এই ডিসপ্লেতে এলইডি থেকে কম শক্তির প্রয়োজন পড়ে। ফলে ব্যাটারি খরচ হয় কম। বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চয়ী, দেড় গুণ বেশি লুমিনেন্স (আলোর পরিমাপক), পর্দায় দেখার মান অনেক ভালো, সাড়া দেয় দ্রুত এবং অনেক নমনীয়। এর পর্দা অনেক বেশি সংবেদনশীল। অসুবিধা : সরাসরি সূর্যালোকে এর ডিসপ্লে দেখা কষ্টকর। এর ভেতরের অর্গানিক উপাদান নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে তুলনামূলক কম দীর্ঘস্থায়ী। এ ডিসপ্লে তৈরির খরচ বেশি। নকিয়া এন৮-এর মতো ব্যয়বহুল স্মার্টফোনে এ পর্দা ব্যবহার করা হচ্ছে।

mobile display

TFT LCD Display : এটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত স্ক্রীন টাইপ। পুরানো মডেলের মোবাইলগুলো থেকে শুরু করে কম বাজেটের স্মার্টফোনগুলোতেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। TFT এর পুর্নরুপ হলো Thin Film Transistor Technology. আর LCD এর পুর্নরুপ হলো Liquid Crystal Display. খারাপ কোয়ালিটির TFT LCD ডিসপ্লে যুক্ত মোবাইলে রঙ ফ্যাকাশে দেখাবে এবং স্ক্রীনের সাইড দিয়ে তাকালে অন্ধকার দেখা যাবে। ভাল কোয়ালিটির স্ক্রীন বেশি উজ্জ্বল হবে আর যেকোন দিক দিয়ে তাকালেই মোটামুটি পরিস্কার দেখা যাবে। সূর্যের আলোতে এই স্ক্রীনে পরিস্কার দেখতে অসুবিধা হয়। এ ধরনের ডিসপ্লেতে ব্যাটারীর খরচ বেশি হয় তবে এটি তৈরী করা যায় অনেক সস্তায়। তাই কম ও মাঝারী দামের সেটের এই ডিসপ্লে বেশি ব্যবহার করা হয়। IPS LCD Display: IPS এর পুর্নরুপ হলো In-Plane Switching. এটি TFT LCD Display থেকে উন্নত। এই স্ক্রীনের ডিসপ্লে কোয়ালিটি ভালো এবং ব্যাটারী কম খরচ হয়। এটি সাধারন LCD থেকে বেশী দামের বলে বেশী দামের স্মার্টফোনগুলোতে ব্যবহার করা হয়। OLED Display: OLED এর পুর্নরুপ হলো Organic Light Emitting Diode. এটি LCD থেকে ভালো কোয়ালিটির মোবাইল...

ফিচার নোগাট

♣♣♣♣Feature Of Android Nougat♦ রিলিজ হলো এ্যন্ড্রয়েড নোগাট। কি আছে নতুন এই এ্যন্ড্রয়েড ভার্সনে? চলুন একটু জেনে নেয়া যাক। বিশ্বব্যাপি মার্শম্যালো পুরোপুরি ভাবে বিস্তার করার আগেই গুগল রিলিজ করলো তাদের নতুন এ্যন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম Android Nougat. কেমন হলো গুগলের নতুন এই ও.এস? মার্শম্যালো থেকে কত টুকু-ই বা আপডেটেড Android Nougat ? চলুন একটু জেনে নেই। Jit Complier নামে নতুন এই ফিচারটি আপনার ডিভাইসের রান টাইম বাড়াতে সাহায্য করবে। বিভিন্ন এ্যপসের জন্য ডিভাইস স্টোরেজ কমিয়ে দেবে এবং সিস্টেম আপডেট এবং সকল প্রকার এ্যপস আপডেট করবে যে কোন সময়ের চেয়ে দ্রুত। Android Nougat এ VR MODE সরাসরি যুক্ত থাকায় কোন 3 Party এ্যপস লাগবেনা। Daydream and Daydream-ready phones এর সাথে খুব শিঘ্রই এই সুবিধা Android Nougat ইউজাররা পাবেন। Vulkan API মত হাই-এন্ড গেইমস গুলো স্মুদলি খেলা যাবে। ব্যাটারি পারফরমেন্স বারানোর জন্য রয়েছে Dozier, যা আগে Doze নামে পরিচিত ছিলো। এই অপশন চালু করলে আপনার ডিভাইস যখন আইডল থাকবে তখন সবচাইতে কম ব্যাটারি ইউজ হবে। ধরুন আপনি হাটছেন অথবা মোবাইল দিয়ে কোন কাজ করছেনা। এই স...

marshmallow শেষ ট্রেনিং

লিখিত ;ইকবাল Android to company ; authority সময়য় বাংলাদেশ ;৮;৩২সকাল ব্যাসিক ফিচার; স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয়। ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী প্রতিনিয়ত অ্যান্ড্রয়েডের নতুন নতুন সংস্করণও বের হচ্ছে। ললিপপ, কিটক্যাট, জেলিবিনের পর এবার আসছে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ সংস্করণের মার্শম্যালো। . ১.গুগল থাকবে সবসময় . বর্তমানের স্মার্টফোনের অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনেও আছে গুগলের অবস্থান, তবে তা সীমিত আকারে। প্লে স্টোর বা ফোন সেটিং করার সময় ব্যবহারকারীকে গুগল অ্যাকাউন্ট অ্যাকটিভ করতে হয়। নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ মার্শম্যালোতে গুগল থাকবে সব সময়, যার মানে হচ্ছে ফোনের সবকিছুতেই গুগলের অবস্থান। কোন শব্দ খোঁজা বা অন্যান্য তথ্য যেভাবে গুগল দিয়ে থাকে সেই সুবিধা এখন ছোট্ট ফোনটিতেই পাওয়া যাবে। . ২.গুগল ক্রোম . গুগলের ইন্টারনেট সংযোগ পাথ বা গেটওয়ে ক্রোম থাকবে মার্শম্যালো ভার্সনে। ব্যবহারকারীরা একবারের স্পর্শেই পাবেন ক্রোমর সংযোগ। . ৩.চার্জ থাকবে বেশি . অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালো ভার্সন ফোন ব্যবহারকারীদের চার্জের বিরক্তির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে...

helio x20 processor

বর্তমানে স্মার্টফোনের বাজারে সবচেয়ে বড় ২ টি প্রতিযোগি হলো Qualcomm এবং Mediatek. Qualcomm তাদের চিপসেটের সোর্স কোড গুলো রিলিজ করে দেয় বলে Qualcomm ইউজার রা সহজেই বিভিন্ন আপডেট কাষ্টম রম পেয়ে থাকে কিন্তু Mediatek সাধারনত তাদের সোর্স কোড গুলো রিলিজ করে না সেজন্য তারা Qualcomm থেকে পিছিয়ে থাকে! সেজন্য Mediatek আনতে যাচ্ছে একবারে নতুন একটি প্রসেসর, যার নাম হলো Helio X20. এই Helio X20 তে থাকবে কিছু বিশেষ সুবিধা- 10 টি কোর থাকবে এই প্রসেসরে :O কোর গুলো ৩ টি গ্রুপে বিভক্ত থাকবে এবং পারফমেন্স হবে স্মুথ এবং ব্যাটারি ড্রেইন কম হবে। অন্যান্য মোবাইল প্রসেসরের তুলনায় 30% কম পাওয়ার খরচে পূর্ন গতি দান করতে সক্ষম হবে। 2.5GHz এর extreme performance দিতে সক্ষম হবে এই প্রসেসর। দুটি ARM Cortex-A53 থাকবে যার একটির ক্লক রেট হবে 2.0GHz এবং অপরটির হবে 1.4GHz. Mediatek এর প্রসেসর টি আনার মূল উদ্দেশ্য হলো Qualcomm এর সমতুল্য হওয়া। কিন্তু যদি সোর্স  কোড ই রিলিজ না করে তাহলে কখনোই Qualcomm এর সমতুল্য হতে পারবে না বলে আমি মনে করি আপনাদের কি মনে হয়?? পারবে Mediatek, Qualcomm কে হারাতে??

প্রসেসর আরটিটেকচার

প্রসেসর আর্কিটেকচার ARMv7-এর মধ্যে আর্কিটেকচার মুলত ৫ প্রকার। সেগুলো হলো Cortex A5, A7, A8, A9 ও A15। সব কোম্পানিই এই ৫ আর্কিটেকচার মেনে প্রসেসর তৈরি করে থাকে। করটেক্স এ৫ অনেক পুরাতন, বেশ দুর্বল; আর করটেক্স এ১৫ হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী। যেহেতু এখনও এ১৫ এর কোন ফোন বাজারে আসেনি। সম্প্রতি বাজারে আসা গ্যালাক্সি এস ৪ -এ ব্যবহৃত হয়েছে এ১৫ এর সিপিইউ। সেহেতু অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস কেনার সময় সম্ভব হলে এ৯ নেয়া উচিত, না হলে এ৭; আর এ৫ না নেয়াই ভাল। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা ফোনে বেশি এইচডি গেম খেলেন না কিংবা মুভি দেখেন না। তাদের জন্য আবার এ৫ নেওয়াটাই ভালো হবে। কেননা, Cortex এ৫ প্রসেসরগুলো খুবই কম ব্যাটারি ব্যবহার করে যার ফলে আপনি আপনার ফোনে দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ পেতে পারেন। প্রসেসরের আরেকটি ব্যাপারটি হলো NEON সাপোর্ট। এটি জটিল কিছু না। NEON থাকার অর্থ হলো আপনার প্রসেসর এইচডি মানের ভিডিও সরাসরি দেখাতে সক্ষম। এর পর ক্লকস্পীড বা প্রসেসরের কাজের গতি। অবশ্যই যত বেশি হবে ততো ভাল। এবার প্রসেসরের শেষ ব্যাপার, মাল্টিকোর কিনা। প্রথমেই বলেছিলাম, ২জন থাকলে কাজ ভাগ করে করা যায়, ব্যাপারটি ঠিক সেরকম। ডু...

nfc setting

NFC কি ? NFC এর পূর্ণ রুপ হল Near Field Communication. ফাইল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি ফাংশন হল NFC। অবশ্য এই NFC সব ডিভাইসে থাকে না। তবে যাদের আছে তাদের জন্য এই টিপস: - প্রথমেই NFC ফাংশন চালু করার জন্য নিচের তিনটি ধাপ অনুসরণ করুন: ১) প্রথমে Settings এ Wireless and Networks অপশনে যান। ২) এরপর NFC চেকবক্স মার্ক করুন। তাহলেই চালু হয়ে যাবে NFC NFC দিয়ে অন্য ডিভাইসে কন্টাক্ট নাম্বার শেয়ার করার পদ্ধতি : ১) আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোতেই NFC চালু আছে কিনা তা চেক করে নিবেন এবং দেখে নিবেন স্ক্রিন অ্যাকটিভ আছে কিনা । ২) এরপর আপনার কন্টাক্ট এ গিয়ে যে কন্টাক্ট গুলো শেয়ার করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন। ৩) আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়। ৪) ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন। ৫) ট্রান্সফার হয়ে গেলে রিসিভিং ডিভাইসের স্ক্রিনে ট্রান্সফার ইনফরমেশন ডিসপ্লে হয় এবং কন্টাক্ট লি...

Android and Linux realtion

 অ্যান্ড্রয়েড এবং লিনাক্সের মধ্যে যে কোনো সম্পর্ক আছে, এমনটা হয়তো অনেকেরই ধারণার বাইরে। আমাদের আগের একটি পোস্টে আমরা দেখিয়েছিলাম কীভাবে নেক্সাস ৭-এ লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম উবুন্টু ইন্সটল করতে হয়। সেখান থেকেই পাঠকদের মনে এই প্রশ্ন জন্মাতে পারে, কীভাবে অ্যান্ড্রয়েডে লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম চলছে। কারণটা আসলে সহজ। অ্যান্ড্রয়েডই লিনাক্স। অ্যান্ড্রয়েড একটি অপারেটিং সিস্টেম। ঠিক উবুন্টুর মতোই। অ্যান্ড্রয়েড কাজ করে একটি স্ট্যান্ডার্ড লিনাক্স কার্নেলের উপর। কার্নেলকে সহজ ভাষায় অপারেটিং সিস্টেমের হার্ট বলা চলে। আপনি যেসব কাজ স্পর্শের মাধ্যমে করছেন এগুলো বুঝে নিয়ে সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারকে নির্দেশানুযায়ী কাজ করানোর দায়িত্বই এই কার্নেল পালন করে। একটি ডেস্কটপ কম্পিউটারে যেমন লিনাক্স কার্নেল আপনার কিবোর্ড ও মাউসে দেয়া কমান্ডগুলো অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ট্রান্সলেট করে দেয়, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ঠিক একই ঘটনা ঘটে। এখানে আপনার টাচ, সোয়াইপ ইত্যাদি সবগুলো প্রথমে কার্নেলের কাছে যায় যে পরবর্তীতে অ্যান্ড্রয়েডকে নির্দেশ দেয় আপনার ইনপুট অনুযায়ী কাজ করতে। অ্যান্ড...

নতুন মোবাইল যারা কিন্তে চান তারা।

Android SmartPhone (স্মার্টফোন) প্রকৃত পক্ষে Android ফোনকে ফোন না বলে একটি Mini Computer বলা যেতে পারে। একটি ভাল মানের প্রসেসর অনেক দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করবে। আর Ram যত বেশি হবে, তত বেশি ও বড় Application এবং Games চালাতে পারবেন। GPU হচ্ছে Graphic Processing Unitএর সংক্ষিপ্ত রূপ। GPUএর প্রধান কাজ হচ্ছে মোবাইলের Displayতে যেসব জিনিস আসবে, সেগুলোকে Process করা এবং অন্য আরেকটি Processor, যার কাজ শুধু Graphics Process করা।। যেমন:- ভিডিও, গেমস। GPU Powerful হলে HD Games ও HD Videos চালানো কোন ব্যাপার নয়। Android Smart Phone কেনার আগে যেসব বিষয় জেনে রাখা উচিত তা নিন্মে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো ♣ প্রসেসর (Processor) যেসব কাজগুলো প্রসেসর করতে পারে, তাকে বলা হয় ইন্সট্রাকশন (Instraction) সেট। একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন কেনার আগে প্রথমেই দেখতে হবে ইন্সট্রাকশন সেট কোনটি। পুরাতন ফোনের প্রসেসরের থাকে ARMV6 বা ARM11 ইন্সট্রাকশন সেট, যেটা এখনকার যুগের নতুন কোন বড়সড় অ্যাপলিকেশন বা গেম চালাতে পারে না। এখন আর ARMv6 ফোন না কেনাই ভাল। ইন্সট্রাকশনের তথ্য আপনি ফোনের স্পেসিফিকেশন দেখলেই পেয়ে যাবেন...

pc mc kerneal

কার্নেল কি? সাধারণত কার্নেলের কথা আমরা RAM সোয়াপ করে বাড়ানোর সময় শুনি। যাদের কার্নেল সোয়াপ সাপোর্ট করে তারা রেম বাড়াতে পারে(যদিও তেমন কাজের না) , আবার OTG দিয়ে পেনড্রাইভ চালানোর সময়ও শুনি যে কার্নেল সাপোর্ট করতে হবে। আসলে কার্নেল যে শুধু এন্ড্রয়েডে থাকে তা নয়, এটি আইফোনের OS (Operating System) , উইন্ডোজ, ম্যাক সব হাই লেভেল OS এই থাকে। আমাদের লাগবে লিনাক্সের কার্নেল যা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করে। তাহলে চলেন দেখি এটি কি এবং কি কাজ করে। একজনের মোবাইল থেকে নিয়ে আরেকজনের মোবাইলে ইন্সটল করে ফেলবো নাকি? কার্নেল হল তা যা সফটওয়ার এবং হার্ডওয়ারের মাঝে ব্রীজ হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ এর মাধ্যমে একটা ইন্সটল করা সফটওয়ার আপনার মোবাইলের হার্ডওয়ারের সাথে যোগাযোগ করে, যা কার্নেল ছাড়া সম্ভব না। অ্যান্ড্রয়েড লিনাক্সের কার্নেল ব্যবহার করলেও ঠিক একই লিনাক্স-বেইসড কার্নেল টা ব্যবহার করে না। এটাতে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য নির্দিষ্ট করে কোড লিখতে হয়েছে এবং তা করেছে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড কার্নেল মেন্টেইনাররা। এছাড়াও যারা মোবাইল বানায় (তাদের বলে OEM – Original Equipment Manufacturer) তাদেরও একই কাজ করতে হয় কারণ ভিন্ন ...

কিছু ছোট খাট প্রশ্ন সমাধান

ছবি
আমি মুঠোফোন ব্যবহার করি যার Operating System হল Android 5.0 (Lollipop)। কাজেই এই লেখায় যেসব দিকনির্দেশনার কথা বলা হবে সেগুলো এই ফোনের সাথে মিলবে। অন্যফোনে একটু এদিক সেদিক থাকতে পারে। যারা নতুন Android চালান তাদের কথা মাথায় রেখে এই লেখাটি সাজানো হলেও পুরনো ব্যবহারকারীরাও হয়ত কিছু কিছু ব্যাপার নতুনভাবে জানবেন। আর আপনার কিছু জানা থাকলে কমেন্টে অবশ্যই লিখুন। ১। আমার ANDROID VERSION কত কিভাবে বুঝব? উত্তরঃ Settings থেকে About Phone এ ক্লিক করুন। এখানে Android Version পাবেন। আরেকটু মজা দেখার জন্য Android Version লেখাটির উপর দ্রুত জোরে জোরে ৫ বার চাপ দিন। বলুন তো কি পেলেন? ২। INTERNET চালু করার সাথে সাথে DATA ফুরিয়ে যাচ্ছ কিছু BROWSE না করা সত্ত্বেও। কি করব? উত্তরঃ Screen উপর থেকে টেনে Shortcut Menu টি আনুন। তারপর দেখুন Background Data নামে icon টি Active আছে কিনা। থাকলে Click করে Inactive করে দিন। কিন্তু Menu তে এই icon না থাকলে Settings এ যান। Wireless & Network এ দেখুন Data Usage আছে। এখানে Click করুন। তারপর Screen এর আয়তাকার বাক্স অথবা তিনটি Dot এ Click করলে কিছু Option আসবে। ...