পোস্টগুলি

ফিচার নোগাট

♣♣♣♣Feature Of Android Nougat♦ রিলিজ হলো এ্যন্ড্রয়েড নোগাট। কি আছে নতুন এই এ্যন্ড্রয়েড ভার্সনে? চলুন একটু জেনে নেয়া যাক। বিশ্বব্যাপি মার্শম্যালো পুরোপুরি ভাবে বিস্তার করার আগেই গুগল রিলিজ করলো তাদের নতুন এ্যন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম Android Nougat. কেমন হলো গুগলের নতুন এই ও.এস? মার্শম্যালো থেকে কত টুকু-ই বা আপডেটেড Android Nougat ? চলুন একটু জেনে নেই। Jit Complier নামে নতুন এই ফিচারটি আপনার ডিভাইসের রান টাইম বাড়াতে সাহায্য করবে। বিভিন্ন এ্যপসের জন্য ডিভাইস স্টোরেজ কমিয়ে দেবে এবং সিস্টেম আপডেট এবং সকল প্রকার এ্যপস আপডেট করবে যে কোন সময়ের চেয়ে দ্রুত। Android Nougat এ VR MODE সরাসরি যুক্ত থাকায় কোন 3 Party এ্যপস লাগবেনা। Daydream and Daydream-ready phones এর সাথে খুব শিঘ্রই এই সুবিধা Android Nougat ইউজাররা পাবেন। Vulkan API মত হাই-এন্ড গেইমস গুলো স্মুদলি খেলা যাবে। ব্যাটারি পারফরমেন্স বারানোর জন্য রয়েছে Dozier, যা আগে Doze নামে পরিচিত ছিলো। এই অপশন চালু করলে আপনার ডিভাইস যখন আইডল থাকবে তখন সবচাইতে কম ব্যাটারি ইউজ হবে। ধরুন আপনি হাটছেন অথবা মোবাইল দিয়ে কোন কাজ করছেনা। এই স...

marshmallow শেষ ট্রেনিং

লিখিত ;ইকবাল Android to company ; authority সময়য় বাংলাদেশ ;৮;৩২সকাল ব্যাসিক ফিচার; স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয়। ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী প্রতিনিয়ত অ্যান্ড্রয়েডের নতুন নতুন সংস্করণও বের হচ্ছে। ললিপপ, কিটক্যাট, জেলিবিনের পর এবার আসছে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ সংস্করণের মার্শম্যালো। . ১.গুগল থাকবে সবসময় . বর্তমানের স্মার্টফোনের অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনেও আছে গুগলের অবস্থান, তবে তা সীমিত আকারে। প্লে স্টোর বা ফোন সেটিং করার সময় ব্যবহারকারীকে গুগল অ্যাকাউন্ট অ্যাকটিভ করতে হয়। নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ মার্শম্যালোতে গুগল থাকবে সব সময়, যার মানে হচ্ছে ফোনের সবকিছুতেই গুগলের অবস্থান। কোন শব্দ খোঁজা বা অন্যান্য তথ্য যেভাবে গুগল দিয়ে থাকে সেই সুবিধা এখন ছোট্ট ফোনটিতেই পাওয়া যাবে। . ২.গুগল ক্রোম . গুগলের ইন্টারনেট সংযোগ পাথ বা গেটওয়ে ক্রোম থাকবে মার্শম্যালো ভার্সনে। ব্যবহারকারীরা একবারের স্পর্শেই পাবেন ক্রোমর সংযোগ। . ৩.চার্জ থাকবে বেশি . অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালো ভার্সন ফোন ব্যবহারকারীদের চার্জের বিরক্তির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে...

helio x20 processor

বর্তমানে স্মার্টফোনের বাজারে সবচেয়ে বড় ২ টি প্রতিযোগি হলো Qualcomm এবং Mediatek. Qualcomm তাদের চিপসেটের সোর্স কোড গুলো রিলিজ করে দেয় বলে Qualcomm ইউজার রা সহজেই বিভিন্ন আপডেট কাষ্টম রম পেয়ে থাকে কিন্তু Mediatek সাধারনত তাদের সোর্স কোড গুলো রিলিজ করে না সেজন্য তারা Qualcomm থেকে পিছিয়ে থাকে! সেজন্য Mediatek আনতে যাচ্ছে একবারে নতুন একটি প্রসেসর, যার নাম হলো Helio X20. এই Helio X20 তে থাকবে কিছু বিশেষ সুবিধা- 10 টি কোর থাকবে এই প্রসেসরে :O কোর গুলো ৩ টি গ্রুপে বিভক্ত থাকবে এবং পারফমেন্স হবে স্মুথ এবং ব্যাটারি ড্রেইন কম হবে। অন্যান্য মোবাইল প্রসেসরের তুলনায় 30% কম পাওয়ার খরচে পূর্ন গতি দান করতে সক্ষম হবে। 2.5GHz এর extreme performance দিতে সক্ষম হবে এই প্রসেসর। দুটি ARM Cortex-A53 থাকবে যার একটির ক্লক রেট হবে 2.0GHz এবং অপরটির হবে 1.4GHz. Mediatek এর প্রসেসর টি আনার মূল উদ্দেশ্য হলো Qualcomm এর সমতুল্য হওয়া। কিন্তু যদি সোর্স  কোড ই রিলিজ না করে তাহলে কখনোই Qualcomm এর সমতুল্য হতে পারবে না বলে আমি মনে করি আপনাদের কি মনে হয়?? পারবে Mediatek, Qualcomm কে হারাতে??

প্রসেসর আরটিটেকচার

প্রসেসর আর্কিটেকচার ARMv7-এর মধ্যে আর্কিটেকচার মুলত ৫ প্রকার। সেগুলো হলো Cortex A5, A7, A8, A9 ও A15। সব কোম্পানিই এই ৫ আর্কিটেকচার মেনে প্রসেসর তৈরি করে থাকে। করটেক্স এ৫ অনেক পুরাতন, বেশ দুর্বল; আর করটেক্স এ১৫ হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী। যেহেতু এখনও এ১৫ এর কোন ফোন বাজারে আসেনি। সম্প্রতি বাজারে আসা গ্যালাক্সি এস ৪ -এ ব্যবহৃত হয়েছে এ১৫ এর সিপিইউ। সেহেতু অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস কেনার সময় সম্ভব হলে এ৯ নেয়া উচিত, না হলে এ৭; আর এ৫ না নেয়াই ভাল। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা ফোনে বেশি এইচডি গেম খেলেন না কিংবা মুভি দেখেন না। তাদের জন্য আবার এ৫ নেওয়াটাই ভালো হবে। কেননা, Cortex এ৫ প্রসেসরগুলো খুবই কম ব্যাটারি ব্যবহার করে যার ফলে আপনি আপনার ফোনে দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ পেতে পারেন। প্রসেসরের আরেকটি ব্যাপারটি হলো NEON সাপোর্ট। এটি জটিল কিছু না। NEON থাকার অর্থ হলো আপনার প্রসেসর এইচডি মানের ভিডিও সরাসরি দেখাতে সক্ষম। এর পর ক্লকস্পীড বা প্রসেসরের কাজের গতি। অবশ্যই যত বেশি হবে ততো ভাল। এবার প্রসেসরের শেষ ব্যাপার, মাল্টিকোর কিনা। প্রথমেই বলেছিলাম, ২জন থাকলে কাজ ভাগ করে করা যায়, ব্যাপারটি ঠিক সেরকম। ডু...

nfc setting

NFC কি ? NFC এর পূর্ণ রুপ হল Near Field Communication. ফাইল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি ফাংশন হল NFC। অবশ্য এই NFC সব ডিভাইসে থাকে না। তবে যাদের আছে তাদের জন্য এই টিপস: - প্রথমেই NFC ফাংশন চালু করার জন্য নিচের তিনটি ধাপ অনুসরণ করুন: ১) প্রথমে Settings এ Wireless and Networks অপশনে যান। ২) এরপর NFC চেকবক্স মার্ক করুন। তাহলেই চালু হয়ে যাবে NFC NFC দিয়ে অন্য ডিভাইসে কন্টাক্ট নাম্বার শেয়ার করার পদ্ধতি : ১) আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোতেই NFC চালু আছে কিনা তা চেক করে নিবেন এবং দেখে নিবেন স্ক্রিন অ্যাকটিভ আছে কিনা । ২) এরপর আপনার কন্টাক্ট এ গিয়ে যে কন্টাক্ট গুলো শেয়ার করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন। ৩) আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়। ৪) ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন। ৫) ট্রান্সফার হয়ে গেলে রিসিভিং ডিভাইসের স্ক্রিনে ট্রান্সফার ইনফরমেশন ডিসপ্লে হয় এবং কন্টাক্ট লি...

Android and Linux realtion

 অ্যান্ড্রয়েড এবং লিনাক্সের মধ্যে যে কোনো সম্পর্ক আছে, এমনটা হয়তো অনেকেরই ধারণার বাইরে। আমাদের আগের একটি পোস্টে আমরা দেখিয়েছিলাম কীভাবে নেক্সাস ৭-এ লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম উবুন্টু ইন্সটল করতে হয়। সেখান থেকেই পাঠকদের মনে এই প্রশ্ন জন্মাতে পারে, কীভাবে অ্যান্ড্রয়েডে লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম চলছে। কারণটা আসলে সহজ। অ্যান্ড্রয়েডই লিনাক্স। অ্যান্ড্রয়েড একটি অপারেটিং সিস্টেম। ঠিক উবুন্টুর মতোই। অ্যান্ড্রয়েড কাজ করে একটি স্ট্যান্ডার্ড লিনাক্স কার্নেলের উপর। কার্নেলকে সহজ ভাষায় অপারেটিং সিস্টেমের হার্ট বলা চলে। আপনি যেসব কাজ স্পর্শের মাধ্যমে করছেন এগুলো বুঝে নিয়ে সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারকে নির্দেশানুযায়ী কাজ করানোর দায়িত্বই এই কার্নেল পালন করে। একটি ডেস্কটপ কম্পিউটারে যেমন লিনাক্স কার্নেল আপনার কিবোর্ড ও মাউসে দেয়া কমান্ডগুলো অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ট্রান্সলেট করে দেয়, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ঠিক একই ঘটনা ঘটে। এখানে আপনার টাচ, সোয়াইপ ইত্যাদি সবগুলো প্রথমে কার্নেলের কাছে যায় যে পরবর্তীতে অ্যান্ড্রয়েডকে নির্দেশ দেয় আপনার ইনপুট অনুযায়ী কাজ করতে। অ্যান্ড...

নতুন মোবাইল যারা কিন্তে চান তারা।

Android SmartPhone (স্মার্টফোন) প্রকৃত পক্ষে Android ফোনকে ফোন না বলে একটি Mini Computer বলা যেতে পারে। একটি ভাল মানের প্রসেসর অনেক দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করবে। আর Ram যত বেশি হবে, তত বেশি ও বড় Application এবং Games চালাতে পারবেন। GPU হচ্ছে Graphic Processing Unitএর সংক্ষিপ্ত রূপ। GPUএর প্রধান কাজ হচ্ছে মোবাইলের Displayতে যেসব জিনিস আসবে, সেগুলোকে Process করা এবং অন্য আরেকটি Processor, যার কাজ শুধু Graphics Process করা।। যেমন:- ভিডিও, গেমস। GPU Powerful হলে HD Games ও HD Videos চালানো কোন ব্যাপার নয়। Android Smart Phone কেনার আগে যেসব বিষয় জেনে রাখা উচিত তা নিন্মে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো ♣ প্রসেসর (Processor) যেসব কাজগুলো প্রসেসর করতে পারে, তাকে বলা হয় ইন্সট্রাকশন (Instraction) সেট। একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন কেনার আগে প্রথমেই দেখতে হবে ইন্সট্রাকশন সেট কোনটি। পুরাতন ফোনের প্রসেসরের থাকে ARMV6 বা ARM11 ইন্সট্রাকশন সেট, যেটা এখনকার যুগের নতুন কোন বড়সড় অ্যাপলিকেশন বা গেম চালাতে পারে না। এখন আর ARMv6 ফোন না কেনাই ভাল। ইন্সট্রাকশনের তথ্য আপনি ফোনের স্পেসিফিকেশন দেখলেই পেয়ে যাবেন...

pc mc kerneal

কার্নেল কি? সাধারণত কার্নেলের কথা আমরা RAM সোয়াপ করে বাড়ানোর সময় শুনি। যাদের কার্নেল সোয়াপ সাপোর্ট করে তারা রেম বাড়াতে পারে(যদিও তেমন কাজের না) , আবার OTG দিয়ে পেনড্রাইভ চালানোর সময়ও শুনি যে কার্নেল সাপোর্ট করতে হবে। আসলে কার্নেল যে শুধু এন্ড্রয়েডে থাকে তা নয়, এটি আইফোনের OS (Operating System) , উইন্ডোজ, ম্যাক সব হাই লেভেল OS এই থাকে। আমাদের লাগবে লিনাক্সের কার্নেল যা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করে। তাহলে চলেন দেখি এটি কি এবং কি কাজ করে। একজনের মোবাইল থেকে নিয়ে আরেকজনের মোবাইলে ইন্সটল করে ফেলবো নাকি? কার্নেল হল তা যা সফটওয়ার এবং হার্ডওয়ারের মাঝে ব্রীজ হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ এর মাধ্যমে একটা ইন্সটল করা সফটওয়ার আপনার মোবাইলের হার্ডওয়ারের সাথে যোগাযোগ করে, যা কার্নেল ছাড়া সম্ভব না। অ্যান্ড্রয়েড লিনাক্সের কার্নেল ব্যবহার করলেও ঠিক একই লিনাক্স-বেইসড কার্নেল টা ব্যবহার করে না। এটাতে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য নির্দিষ্ট করে কোড লিখতে হয়েছে এবং তা করেছে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড কার্নেল মেন্টেইনাররা। এছাড়াও যারা মোবাইল বানায় (তাদের বলে OEM – Original Equipment Manufacturer) তাদেরও একই কাজ করতে হয় কারণ ভিন্ন ...

কিছু ছোট খাট প্রশ্ন সমাধান

ছবি
আমি মুঠোফোন ব্যবহার করি যার Operating System হল Android 5.0 (Lollipop)। কাজেই এই লেখায় যেসব দিকনির্দেশনার কথা বলা হবে সেগুলো এই ফোনের সাথে মিলবে। অন্যফোনে একটু এদিক সেদিক থাকতে পারে। যারা নতুন Android চালান তাদের কথা মাথায় রেখে এই লেখাটি সাজানো হলেও পুরনো ব্যবহারকারীরাও হয়ত কিছু কিছু ব্যাপার নতুনভাবে জানবেন। আর আপনার কিছু জানা থাকলে কমেন্টে অবশ্যই লিখুন। ১। আমার ANDROID VERSION কত কিভাবে বুঝব? উত্তরঃ Settings থেকে About Phone এ ক্লিক করুন। এখানে Android Version পাবেন। আরেকটু মজা দেখার জন্য Android Version লেখাটির উপর দ্রুত জোরে জোরে ৫ বার চাপ দিন। বলুন তো কি পেলেন? ২। INTERNET চালু করার সাথে সাথে DATA ফুরিয়ে যাচ্ছ কিছু BROWSE না করা সত্ত্বেও। কি করব? উত্তরঃ Screen উপর থেকে টেনে Shortcut Menu টি আনুন। তারপর দেখুন Background Data নামে icon টি Active আছে কিনা। থাকলে Click করে Inactive করে দিন। কিন্তু Menu তে এই icon না থাকলে Settings এ যান। Wireless & Network এ দেখুন Data Usage আছে। এখানে Click করুন। তারপর Screen এর আয়তাকার বাক্স অথবা তিনটি Dot এ Click করলে কিছু Option আসবে। ...

জাতীয় পরিচয় পত্র কীভাবে পাবো?

ছবি
দীর্ঘ ৫ বছরের অপেক্ষার পর আজ (০৩ অক্টোবর) থেকে দেওয়া হচ্ছে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড। আপনার স্মার্ট কার্ড কবে কোথায় দেওয়া হবে তা জানতে যা যা করতে হবে- ক) ওয়েবসাইটের মাধ্যমেঃ ১. এই লিংকে প্রবেশ করুন- https://services.nidw.gov.bd/card_distribution ২. আপনার এনআইডি নম্বর বা ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা লিখুন। ৩. ‘কার্ড বিতরণ তথ্য দেখুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। ৪. এরপর যে উইন্ডো আসবে সেখানেই থাকবে কবে, কোন ক্যাম্পে আপনার স্মার্টকার্ডটি কবে দেওয়া হবে। ৫. যদি লেখা উঠে – “No data found for: Your card distribution date is not scheduled yet, please try later.”; তাহলে বুঝতে হবে আপনার এলাকায় কবে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে তার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। আর কিছুদিন পর আবার ট্রাই করবেন। খ) মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমেঃ মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SC লিখে স্পেস দিয়ে ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর লিখতে হবে। যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের, তারা প্রথমে জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন। এরপর তা ১০৫ নম্বরে পাঠালেই ফিরতি মেসেজে জানিয়ে দেওয়ার তথ্য। এদিকে যারা এখনো NI...

Android basic solution.. iqbal info dot net

ছবি
আমি মুঠোফোন ব্যবহার করি যার Operating System হল Android 5.0 (Lollipop)। কাজেই এই লেখায় যেসব দিকনির্দেশনার কথা বলা হবে সেগুলো এই ফোনের সাথে মিলবে। অন্যফোনে একটু এদিক সেদিক থাকতে পারে। যারা নতুন Android চালান তাদের কথা মাথায় রেখে এই লেখাটি সাজানো হলেও পুরনো ব্যবহারকারীরাও হয়ত কিছু কিছু ব্যাপার নতুনভাবে জানবেন। আর আপনার কিছু জানা থাকলে কমেন্টে অবশ্যই লিখুন। ১। আমার ANDROID VERSION কত কিভাবে বুঝব? উত্তরঃ Settings থেকে About Phone এ ক্লিক করুন। এখানে Android Version পাবেন। আরেকটু মজা দেখার জন্য Android Version লেখাটির উপর দ্রুত জোরে জোরে ৫ বার চাপ দিন। বলুন তো কি পেলেন? ২। INTERNET চালু করার সাথে সাথে DATA ফুরিয়ে যাচ্ছ কিছু BROWSE না করা সত্ত্বেও। কি করব? উত্তরঃ Screen উপর থেকে টেনে Shortcut Menu টি আনুন। তারপর দেখুন Background Data নামে icon টি Active আছে কিনা। থাকলে Click করে Inactive করে দিন। কিন্তু Menu তে এই icon না থাকলে Settings এ যান। Wireless & Network এ দেখুন Data Usage আছে। এখানে Click করুন। তারপর Screen এর আয়তাকার বাক্স অথবা তিনটি Dot এ Click করলে কিছু Option আসব...

mobile camera basic options .. iqbal bd

ছবি
What is Megapixel / মেগাপিক্সেল কি? মেগাপিক্সেল হচ্ছে ১০ লক্ষ পিক্সেল এর সংক্ষিপ্ত রূপ। পিক্সেল হল একটি ইমেজ ফাইলের একক(একটি মাত্র ডট যা ছবির তথ্য সংবলিত) মেগাপিক্সেল ছবি যেকোনো আকৃতির হতে পারে। এটা আসলে ইমেজের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গুনফলের মাধ্যমে পাওয়া যায়। বেশি মেগাপিক্সেল মানে বড় আকৃতি এবং অধিক তথ্য সংবলিত ছবি। What is Camera Pixel / ক্যামেরা পিক্সেল কি? ক্যামেরা পিক্সেল বা, ক্যামেরা রেজোলিউশন হচ্ছে, ক্যামেরা দ্বারা ধারণকৃত সর্বোচ্চ আকৃতির ছবির আকার। উপরে উল্লেখিত মেগাপিক্সেল গননা করার পদ্ধতিতেই ক্যামেরা পিক্সেল বা, ক্যামেরা রেজোলিউশন গননা করা হয়।ক্যামেরা রেজোলিউশন যত বেশি, ছবি তত বিস্তারিত এবং অনেক বেশি ভিজুয়াল ইনফর্মেশন প্রদর্শন করতে পারে। What is Autofocus / অটোফোকাস কি? অটো ফোকাস হচ্ছে ডিজিটাল ক্যামেরার একটি ফিচার যা, ক্যামেরার লেন্স এর সামনের বস্তুর দূরত্ব বিবেচনা করে লেন্স এর ফোকাস সমন্বয় করে। আমরা যখন ছবি তোলার জন্য ক্যামেরা ধরি/স্থাপন করি তখন সামনের বস্তুর দূরত্ব জানি না। তাই আমরা ক্যামেরার ফোকাল লেন্স এর দূরত্ব অনুসারে বস্তুকে সামনে রাখতে পারি না। তখন ছবির তীক্ষ্ণ...

mobile ccamera

camera basic options

What is Megapixel / মেগাপিক্সেল কি? মেগাপিক্সেল হচ্ছে ১০ লক্ষ পিক্সেল এর সংক্ষিপ্ত রূপ। পিক্সেল হল একটি ইমেজ ফাইলের একক(একটি মাত্র ডট যা ছবির তথ্য সংবলিত) মেগাপিক্সেল ছবি যেকোনো আকৃতির হতে পারে। এটা আসলে ইমেজের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গুনফলের মাধ্যমে পাওয়া যায়। বেশি মেগাপিক্সেল মানে বড় আকৃতি এবং অধিক তথ্য সংবলিত ছবি। What is Camera Pixel / ক্যামেরা পিক্সেল কি? ক্যামেরা পিক্সেল বা, ক্যামেরা রেজোলিউশন হচ্ছে, ক্যামেরা দ্বারা ধারণকৃত সর্বোচ্চ আকৃতির ছবির আকার। উপরে উল্লেখিত মেগাপিক্সেল গননা করার পদ্ধতিতেই ক্যামেরা পিক্সেল বা, ক্যামেরা রেজোলিউশন গননা করা হয়।ক্যামেরা রেজোলিউশন যত বেশি, ছবি তত বিস্তারিত এবং অনেক বেশি ভিজুয়াল ইনফর্মেশন প্রদর্শন করতে পারে। What is Autofocus / অটোফোকাস কি? অটো ফোকাস হচ্ছে ডিজিটাল ক্যামেরার একটি ফিচার যা, ক্যামেরার লেন্স এর সামনের বস্তুর দূরত্ব বিবেচনা করে লেন্স এর ফোকাস সমন্বয় করে। আমরা যখন ছবি তোলার জন্য ক্যামেরা ধরি/স্থাপন করি তখন সামনের বস্তুর দূরত্ব জানি না। তাই আমরা ক্যামেরার ফোকাল লেন্স এর দূরত্ব অনুসারে বস্তুকে সামনে রাখতে পারি না। তখন ছবির তীক্ষ্ণ...

mobile graphics card

★বর্তমানে যেসব Smartphone বাজারে আসছে তার প্রায় সবগুলোতেই Gpu আছে। কিন্তু একেক মোবাইলে একেকটা, আবার কোনো কোনো মোবাইলে নাই ও। অনেকেই এটা নিয়ে দারুন সমস্যায় পরেন। এখন থেকে আর সমস্যা হবে না। পোস্টটি পড়লেই সব বুঝবেন। # GPU কি?—– GPU এর পুর্ন রুপ অনেকেরই জানা– Graphics Processing Unit। এটি মোবাইলের Graphics,মানে কালার কম্বিনেশন, ভাল ছবি তৈরী এর কাজ করে। এখন আপনারা যারা PC ব্যাবহার করেন তারা জানেন যে PC এর গ্রাফিক্স কার্ড থাকে। মোবাইলের Gpu হল এই গ্রাফিক্স কার্ড। # GPU এর কাজ কি?—– আপনার মোবাইলের গ্রাফিক্স বিষয়ক যাবতীয় সকল কাজ করে। যেমন-HDGames, HD Movie Play, HDVideo Play ইত্যাদি। আপনার মোবাইলে ভাল মানের HD Games খেলার জন্য Gpu এর কোনো বিকল্প নেই। যেমন ধরেন- Galaxy Y এ ছোট খাট ভাল কোয়ালিটির গেমস্ সাধারন ভাবেই সাপোর্ট করে,কিন্তু উচ্চ গ্রাফিক্সের গেম খেলা যায় না, এর কারন হল– কম রেজুলেশনের ডিসপ্লে এবং Gpu নেই। বড় সাইজের HD Games গুলি Gpu ছাড়া চলবে না। #Gpu এর প্রকারভেদ—– বর্তমানে একেক মোবাইলে একেক কোয়ালিটি, একেক কোম্পানীর Gpu দেখা যাচ্ছে। এদের মধ্যে...

pc/mobile graphic card gpu

★বর্তমানে যেসব Smartphone বাজারে আসছে তার প্রায় সবগুলোতেই Gpu আছে। কিন্তু একেক মোবাইলে একেকটা, আবার কোনো কোনো মোবাইলে নাই ও। অনেকেই এটা নিয়ে দারুন সমস্যায় পরেন। এখন থেকে আর সমস্যা হবে না। পোস্টটি পড়লেই সব বুঝবেন। # GPU কি?—– GPU এর পুর্ন রুপ অনেকেরই জানা– Graphics Processing Unit। এটি মোবাইলের Graphics,মানে কালার কম্বিনেশন, ভাল ছবি তৈরী এর কাজ করে। এখন আপনারা যারা PC ব্যাবহার করেন তারা জানেন যে PC এর গ্রাফিক্স কার্ড থাকে। মোবাইলের Gpu হল এই গ্রাফিক্স কার্ড। # GPU এর কাজ কি?—– আপনার মোবাইলের গ্রাফিক্স বিষয়ক যাবতীয় সকল কাজ করে। যেমন-HDGames, HD Movie Play, HDVideo Play ইত্যাদি। আপনার মোবাইলে ভাল মানের HD Games খেলার জন্য Gpu এর কোনো বিকল্প নেই। যেমন ধরেন- Galaxy Y এ ছোট খাট ভাল কোয়ালিটির গেমস্ সাধারন ভাবেই সাপোর্ট করে,কিন্তু উচ্চ গ্রাফিক্সের গেম খেলা যায় না, এর কারন হল– কম রেজুলেশনের ডিসপ্লে এবং Gpu নেই। বড় সাইজের HD Games গুলি Gpu ছাড়া চলবে না। #Gpu এর প্রকারভেদ—– বর্তমানে একেক মোবাইলে একেক কোয়ালিটি, একেক কোম্পানীর Gpu দেখা যাচ্ছে। এদের মধ্যে...

pc/mobile graphic card gpu

★বর্তমানে যেসব Smartphone বাজারে আসছে তার প্রায় সবগুলোতেই Gpu আছে। কিন্তু একেক মোবাইলে একেকটা, আবার কোনো কোনো মোবাইলে নাই ও। অনেকেই এটা নিয়ে দারুন সমস্যায় পরেন। এখন থেকে আর সমস্যা হবে না। পোস্টটি পড়লেই সব বুঝবেন। # GPU কি?—– GPU এর পুর্ন রুপ অনেকেরই জানা– Graphics Processing Unit। এটি মোবাইলের Graphics,মানে কালার কম্বিনেশন, ভাল ছবি তৈরী এর কাজ করে। এখন আপনারা যারা PC ব্যাবহার করেন তারা জানেন যে PC এর গ্রাফিক্স কার্ড থাকে। মোবাইলের Gpu হল এই গ্রাফিক্স কার্ড। # GPU এর কাজ কি?—– আপনার মোবাইলের গ্রাফিক্স বিষয়ক যাবতীয় সকল কাজ করে। যেমন-HDGames, HD Movie Play, HDVideo Play ইত্যাদি। আপনার মোবাইলে ভাল মানের HD Games খেলার জন্য Gpu এর কোনো বিকল্প নেই। যেমন ধরেন- Galaxy Y এ ছোট খাট ভাল কোয়ালিটির গেমস্ সাধারন ভাবেই সাপোর্ট করে,কিন্তু উচ্চ গ্রাফিক্সের গেম খেলা যায় না, এর কারন হল– কম রেজুলেশনের ডিসপ্লে এবং Gpu নেই। বড় সাইজের HD Games গুলি Gpu ছাড়া চলবে না। #Gpu এর প্রকারভেদ—– বর্তমানে একেক মোবাইলে একেক কোয়ালিটি, একেক কোম্পানীর Gpu দেখা যাচ্ছে। এদের মধ্যে...

gpu mali

GPU (Graphics Process UniT) : জিপিইউ হচ্ছে একটি স্পেশালাইজড ইলেকট্রিকাল সার্কিট .. যেটার কাজ হলো ডিভাইসের গ্রাফিক্স প্রসেস করা , সোজা ভাষায় স্ক্রিণে আপনি যা দেখেন সেটা খুব দ্রুত ও সাবলীলভাবে সরবরাহ করা .. এটার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে আপনি কতটা সুন্দরভাবে ও ল্যাগ ছাড়া গেমিং করতে পারবেন , হাই রেজুলেশন ভিডিও প্লে করতে পারবেন এইসব বিষয়গুলি .. অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের স্পেসিফিকেশনে অনেক সময় লেখা থাকে Adreno 305 , Mali 400 , Mali 450 Mp4 , Mali 400 Mp , PowerVR SGX544 ইত্যাদি .. এগুলো জিপিইউ এর মডেল , আর মডেলের পাশে MP দিয়ে নির্দেশ করা হয় জিপিইউ এর কোর সংখ্যা .. MP (Muli Processing) দিয়ে বোঝানো হয় একাধিক , জিপিইউর পাশে শুধু MP লেখা থাকলে বোঝানো হয় এর কোর সংখ্যা একাধিক কিন্তু নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি কয়টা কোর , একের বেশি তবে নির্দিষ্ট সংখ্যাটা বোঝানো জন্য MP এর পরে একটা সংখ্যা উল্লেখ করা হয় যেমন Mali 450 MP4 , মানে এর কোর সংখ্যা ৪ .. আবার অনেক সময় কোরগুলোর স্পিডও উল্লেখ করা থাকে যেমন Mali 400 Mp2 700Mhz , এর মানে হলো এই জিপিইউর কোর দুইটা ৭০০ মেগাহার্টজ গতিতে কাজ করবে .. মনে প্রশ্ন ...

what is G.P.U.. IQBAL

আজ আমি GPU সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। SO Let’s Start *1- GPU কি? * GPU এর full meaning হয়তো অনেকেই জানেন- Gpu = Graphics Processing Unit। এটি মোবাইলের Graphics। এটি color কম্বিনেশন ও রেজুলেশন ঠিক রেখে better ছবি তৈরীর কাজ করে। যারা PC user তারা জানেন যে PC এর Graphic Card থাকে। মোবাইলের Gpu হল এই Graphic Card। *2- GPU এর কাজ কি? * আপনার মোবাইলের Graphic related যাবতীয় সকল কাজ করে। যেমন- HD Games Play থেকে শুরু করে HD Movie,Video দেখা সহ ইত্যাদি। আপনার মোবাইলে ভাল মানের HD 3D Games খেলার জন্য Gpu এর কোনো বিকল্প নেই। Suppose :- Symphony w68 এ মোটামুটি ভাল Qualityr Games normally Support করে। কিন্তু High গ্রাফিক্সের গেম খেলা যায় না, Support করাতে হলে Gl Tools দিয়ে Graphic কমিয়ে কমিয়ে Games Play করতে হয়। এর কারন হল-Gpu নেই। বড় সাইজের HD Games গুলি Gpu ছারা চলবে না। আরেকটা জিনিস হয়তো আপনারা লহ্ম করেছেন Mx Playera High রেজুলেশনের Video Play হয় না Without Useing Codec। যখন এটার সাথে Arm, tegra, Neon Etc. codec use করা হয় তখন Video টি PLAY হয়। কারণ তখন Codec গুলো Pl...

প্রসেসর র‍্যাম জিপিঅ

স্মার্টফোন আসার আগে আমরা ফোন কিনতাম ক্যামেরা, অডিও কোয়ালিটি, চার্জ কেমন থাকে এসব দেখে। কিন্তু এখন এসবের সাথে নতুন করে প্রসেসর, জিপিইউ এবং র্যামও যোগ হয়েছে, যা দেখে ফোন কেনা খুবই জরুরি। কিন্তু যিনি প্রথমবার কিনছেন, তার জন্য দুর্বোধ্য! আমিও প্রথম কেনার সময় এত বুঝিনি। অনেক দাম দিয়ে একটি পুরাতন প্রসেসরের ফোন কিনে ফেলেছিলাম। আমার মতো আপনিও যেন এই ভুল না করেন সে লক্ষ্যেই আজকের এই পোস্ট। চলুন দেখে নেয়া যাক নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোন কেনার সময় হার্ডওয়্যারের কোন কোন বিষয় বিবেচনা করতে হবে। উল্লেখ্য যে, অ্যাডভান্সড এই বিষয়গুলো একেবারেই নতুনদের বোঝার জন্য যতোটা সহজভাবে সম্ভব লেখা হয়েছে। তাই যারা প্রসেসর, জিপিইউ ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা রাখেন তাদের এই পোস্ট ভালো না লাগাই স্বাভাবিক। স্মার্টফোন – ক্ষুদ্র কম্পিউটার প্রথম কথা হলো, অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে ফোন না ভেবে একটি ছোট কম্পিউটার ভাবুন। একটি ভাল প্রসেসর আপনাকে অনেক দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করবে। আর র্যাম যত বেশি হবে তত বেশি/বড় অ্যাপ্লিকেশন/গেমস চালাতে পারবেন। জিপিইউ হচ্ছে গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এর মুল কাজ হলো আপনার ডিসপ্লেতে...